সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী - 4

 রবিরা  ট্রেনে রাতে উঠেছিল, আর সকালের সাতটার মধ্যে হাওড়া স্টেশন পৌঁছে গেল।   ফালাকাটা থেকে কলকাতা—এই দীর্ঘ পথ যেন রবির কাছে এক অন্তহীন প্রতীক্ষার মতো।  রিপোর্টগুলোয় কী আছে? ডাক্তারবাবু কী বলবেন?  এই সব প্রশ্ন রবির মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল, কিন্তু মেয়ের জন্য সে যে কোনো লড়াই লড়তে প্রস্তুত। রিপোর্টগুলো হাতে পাওয়ার পর রবির হাত সামান্য কাঁপছিল।  সে আর সুরভি চেম্বারে ঢুকে ডাক্তারবাবুর হাতে ফাইলটা তুলে দিল।  ডাক্তারবাবু চশমাটা নাক বরাবর নামিয়ে প্রতিটি রিপোর্ট অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে খুঁটিয়ে পড়তে শুরু করলেন।  রবি আর সুরভির এক অজানা আশঙ্কায় বুক ফেটে যাচ্ছিল। বেশ কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর ডাক্তারবাবু ফাইলটা টেবিলের ওপর রাখলেন।  তিনি গম্ভীর কিন্তু