তিতাস নদী - পর্ব 10

হাসপাতালের অটোমেটিক স্লাইডিং ডোর দিয়ে ভেতরে ঢুকতে এসির ঠান্ডা বাতাসের সাথে ফিনাইল, স্পিরিট আর ওষুধের একটা চেনা গন্ধ নাকে এসে ধাক্কা মারে। রিসেপশন এরিয়াটা রীতিমতো সরগরম। একধারে উদ্বিগ্ন মুখে দাঁড়িয়ে থাকা রোগীর পরিজন, অন্যদিকে নার্স আর ওয়ার্ডবয়দের ব্যস্ত পদচারণা। মাথার ওপর স্পিকারে অনবরত অ্যানাউন্সমেন্ট চলছে, "ডক্টর সেন, প্লিজ রিপোর্ট টু দ্য ইমার্জেন্সি ওয়ার্ড ইমিডিয়েটলি।" একপাশ দিয়ে একটা হুইলচেয়ার দ্রুত গতিতে লিফটের দিকে এগিয়ে যায়। কাউন্টারের পেছনে বসে থাকা রিসেপশনিস্টরা ক্রমাগত বেজে চলা টেলিফোন ধরছে আর কম্পিউটারে খটাখট টাইপ করছে।তিতাস চারপাশটা একবার দেখে নিয়ে নিজের কাঁধের ব্যাগটা একটু গুছিয়ে নেয়। তারপর আত্মবিশ্বাসী পদক্ষেপে মেইন রিসেপশন ডেস্কের দিকে এগিয়ে যায়। কাউন্টারে থাকা