Forbidden Love - 1 in Bengali Love Stories by MOU DUTTA books and stories PDF | নিষিদ্ধ ভালোবাসা - 1

Featured Books
Categories
Share

নিষিদ্ধ ভালোবাসা - 1

Part 1: “প্রথম দেখা, অজানা টান”
কলেজের প্রথম দিন।
সকালের হালকা ঠান্ডা হাওয়া, আকাশে একটু মেঘলা ভাব—যেন প্রকৃতিও আজ নতুন কিছু শুরু হওয়ার অপেক্ষায়।
ঈশা ধীরে ধীরে কলেজের গেটের সামনে এসে দাঁড়াল।
নতুন জায়গা… নতুন মানুষ…
সবকিছুই তার কাছে একটু অচেনা, একটু ভয়ও লাগছে।
সে খুব বেশি কথা বলতে পারে না।
নিজের মতো থাকতেই বেশি পছন্দ করে।
চোখ নামিয়ে গেট দিয়ে ঢুকতে যাচ্ছিল—
ঠিক তখনই হঠাৎ কারও সাথে ধাক্কা লাগল।
— “Sorry! আমি খেয়াল করিনি!”
ঈশা মাথা তুলে তাকাতেই থমকে গেল।
সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটা—
হাসছে।
না, শুধু হাসি না…
ওর চোখেও একটা অদ্ভুত আলো আছে।
— “It’s okay! আমিও তাড়াহুড়ো করছিলাম,” মেয়েটা বলল।
ঈশা কিছু বলল না।
শুধু মাথা নেড়ে পাশ কাটিয়ে চলে যেতে চাইল।
— “এই শুনো… তুমি কি first year?”
ঈশা থেমে গেল।
— “হ্যাঁ…”
— “Great! আমিও! আমি মেঘলা ”
একটা হাসি দিয়ে হাত বাড়িয়ে দিল মেয়েটা।
ঈশা একটু ইতস্তত করল।
তারপর ধীরে ধীরে হাতটা ধরল।
— “ঈশা…”
এই ছোট্ট পরিচয়টাই হয়তো তাদের গল্পের শুরু।
ক্লাসরুমে ঢুকে ঈশা একদম শেষ বেঞ্চে গিয়ে বসে পড়ল।
তার কাছে শেষ বেঞ্চ মানে safe zone।
কেউ disturb করবে না, কেউ প্রশ্ন করবে না।
কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই—
তার পাশে এসে কেউ বসে পড়ল।
— “আমি এখানে বসতে পারি?”
ঈশা তাকিয়ে দেখল—
মেঘলা।
— “হুম…”
মেঘলা বসে পড়ল, তারপর একটু হেসে বলল—
— “তুমি খুব চুপচাপ, তাই না?”
ঈশা একটু অপ্রস্তুত হয়ে গেল।
— “এমনই…”
— “Nice  আমার একদম opposite। আমি অনেক কথা বলি।”
ঈশা একটু হাসল।
হয়তো অনেকদিন পর সে কারও সামনে হাসল।
দিনগুলো ধীরে ধীরে এগোতে লাগল।
ক্লাস, ক্যান্টিন, লাইব্রেরি—
সব জায়গাতেই এখন একটা common জিনিস আছে—
মেঘলা।
— “ঈশা, আজ ক্যান্টিনে যাবে?”
— “ঈশা, এই noteটা বুঝেছ?”
— “ঈশা, তুমি এত কম কথা বলো কেন?”
মেঘলার endless কথা, আর ঈশার silent presence—
দুটো একসাথে somehow perfect লাগছিল।
ঈশা নিজেও বুঝতে পারছিল—
সে বদলাচ্ছে।
আগে যেটা avoid করত, এখন সেটার জন্য অপেক্ষা করে।
একদিন বিকেলে…
কলেজ ছুটি হয়ে গেছে।
আকাশে কালো মেঘ।
মেঘলা বলল—
— “আজ বৃষ্টি হবে মনে হচ্ছে।”
ঈশা আকাশের দিকে তাকাল।
— “হয়তো…”
— “তুমি বৃষ্টি পছন্দ করো?”
ঈশা একটু চুপ করে থেকে বলল—
— “হ্যাঁ… কারণ বৃষ্টিতে কেউ আমার কান্না দেখতে পায় না।”
মেঘলা চুপ হয়ে গেল।
— “তুমি কাঁদো?”
ঈশা হালকা হাসল—
— “সবাই কাঁদে…”
মেঘলা এবার আর হাসল না।
সে প্রথমবার ঈশাকে একটু অন্যভাবে দেখল।
শুধু quiet girl না…
তার ভেতরে অনেক কিছু লুকিয়ে আছে।
হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল।
ঝুমঝুম করে।
দুজনেই দৌড়ে একটা ছাউনির নিচে এসে দাঁড়াল।
মেঘলা হেসে বলল—
— “Wow! perfect timing!”
ঈশা ভিজে যাওয়া চুল সরাতে সরাতে বলল—
— “হুম…”
কিন্তু তার চোখে অন্য কিছু।
সে বুঝতে পারছে না—
কেন মেঘলার সাথে থাকলে তার ভেতরে একটা অদ্ভুত শান্তি আসে।
কেন মেঘলার হাসি দেখলে বুকটা হালকা লাগে।
কেন সে চায়—
এই মুহূর্তটা যেন থেমে যায়।
মেঘলা হঠাৎ বলল—
— “ঈশা, আমরা কি best friend হতে পারি?”
ঈশা একটু চমকে গেল।
“Best friend…”
এই শব্দটা তার কাছে নতুন।
সে ধীরে ধীরে বলল—
— “আমি ভালো friend হতে পারব কিনা জানি না…”
— “তুমি already ভালো,” মেঘলা হাসল।
ঈশা কিছু বলল না।
কিন্তু তার ভেতরে কোথাও একটা ছোট্ট আলো জ্বলে উঠল।
বৃষ্টি থামার পর দুজন একসাথে হাঁটতে লাগল।
রাস্তার পাশে জমে থাকা পানিতে আকাশের reflection—
আর সেই reflection-এর মতোই,
তাদের সম্পর্কও ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে।
অজান্তেই।
সেদিন রাতে…
ঈশা বিছানায় শুয়ে আছে।
চোখ বন্ধ করলেই একটা মুখ ভেসে উঠছে—
মেঘলা।
তার হাসি…
তার কথা বলার ধরন…
তার চোখ…
ঈশা চোখ খুলে ফেলল।
— “আমি এত ভাবছি কেন?”
সে নিজেকে প্রশ্ন করল।
কিন্তু কোনো উত্তর পেল না।
ওদিকে…
মেঘলাও নিজের ঘরে বসে আছে।
মোবাইল হাতে, কিন্তু মন অন্য কোথাও।
— “ঈশা… তুমি আসলে কে?”
সে মনে মনে বলল।
— “কেন তোমাকে এত আলাদা লাগে?”
দুজনেই বুঝতে পারছে না—
এটা শুধু friendship,
না এর মধ্যে আরও কিছু আছে…
কিন্তু একটা জিনিস স্পষ্ট—
 এই গল্পটা শুধু শুরু হয়েছে।
নতুন গল্প লিখছি জানি না কেমন হয়েছে পাশে থাকবেন এবং কোনো ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন সকলে।