Fortune writing - 2 in Bengali Love Stories by Sujata Mondal books and stories PDF | ভাগ্যের লেখন - 2

Featured Books
Categories
Share

ভাগ্যের লেখন - 2

সবই ঠিকঠাক রয়েছে। তার কয়েকদিন পরেই পাখি ফিরে এসেছে নিজের শহরে তখনো রিয়ানের কলেজ শেষ হতে আরও প্রায় এক দু মাস বাকি, পাখিটাকে সারপ্রাইজ দিতে তার কলেজের সামনে যায় কিন্তু তার সামনে গিয়ে সে একটা অদ্ভুত দৃশ্য দেখে যেটা দেখে তার মনে হয় যে তার সব ভালোবাসা ,সব ত্যাগ, সব অপেক্ষা, সব দুঃখ কষ্ট সবই বৃথা।

ওই যে মানুষ কখনো কখনো সামাজের বিভিন্ন মানুষের সাথে মিশতে মিশতে নিজের জীবনের সেই মানুষটাকে ভুলে যায় যে মানুষটার জন্য সে সব করতে পারত যে মানুষটিক সে হাজার কষ্টে পেয়েছিল হাজার অপেক্ষার পরে পেয়েছিল। রিয়ারের সাথেও ঠিক তাই হয়েছিল।
সবই মহো🥀🍃💔...........

একটি মেয়ে তার নামও জানা নেই পাখির। রিয়ান হাত ধরে খুশি মুখে কলেজে গেট থেকে বেরোচ্ছে তাকে দেখে বোঝাই যাচ্ছে যে মেয়েটার খুব ঘনিষ্ঠ। আগেরবারের মতো ভুল বোঝাবুঝি না এটা কারণ তার মুখেও হাসি। পাখির যেন পুরো পৃথিবীটা ওখানেই স্থির হয়ে গেল তার পায়ের তলা থেকে মাটি এক ধাক্কায় সরে গেল তার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়লো। সে তখন খুব কষ্টে নিজের চোখের জল আটকে সেখান থেকে দ্রুত তার মায়ের কাছে চলে আসলো অর্থাৎ বাড়ি ফিরে আসলো এখানে তাদেরই বিয়ের কথা চলছিল ঋরিয়ান আর তার মায়ের সাথে সে সবটা বলল রিয়ানের মা বলল যে তুই এত ভাবিস না ঐসব ভুলভাল চিন্তা ভাবনা ও তোকে ছাড়া আর অন্য কাউকে বিয়ে করবেই না হয়তো কোন কাছের বন্ধু আজকেই ওকে জিজ্ঞাসা করব তুই এত কান্নাকাটি করিস না তোর কি মনে হয়, যে মানুষটাকে এত কষ্ট করে অপেক্ষা করে তোকে পেয়েছে সে তাকে এভাবে হারিয়ে ফেলবে। দুজনে মিলে অর্থাৎ দুই মা মিলে তাকে অনেকটা শান্ত করল তার কান্নাটা কামানোর চেষ্টা করল কিন্তু কিছুতেই তার কান্না চলছে। অবশেষে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে পড়ল। তারপরে এক দু ঘন্টা পর রিয়ান বাড়ি ফিরল । দুই মা তাকে জিজ্ঞাসা করল তখন রিয়ান হঠাৎ যেন নিজের মেজাজটা পাল্টে নিয়ে খুব রাগীসরে বলল যে ওই মেয়েকে আমি বিয়ে করবো না আমি অন্য একজনকে ভালোবাসি যে ওর থেকে অনেক ভালো ওকে এখান থেকে চলে যেতে বল।। এই বলে সে নিজের ঘরে চলে গেল। আর তখন ইতিমধ্যে রিয়ানের বাইকের আওয়াজ শুনে পাখি ঘুম থেকে উঠে দরজার কাছে আসছিল তোকে জড়িয়ে ধরবে বলে কিন্তু আসলে যা শূন্য তাই শুনে তার মরে যেতে ইচ্ছা করলো। রিয়ান চলে যাওয়ার পরে পাখি ,,,সে যেখানে দাঁড়িয়ে ছিল সেখানেই বসে পড়লো তার যেন আর কিছু ঠিক নেই তার সবকিছু যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে।। দুই মা তা দেখে ছুটে পাখির কাছে গেল তারা নিজেরাও যেন কিছু বুঝতে পারছে না যে ছেলে পাখির জন্য সব করতে পারতো সে আজ তাকে চায়না। অনেক কিছুর পরে পাখি বললো যে না ও আমাকে এখনো ভালোবাসে হয়তো জাস্ট কোথাও দূরত্বটা বেড়ে গেছে আমি আবার ওকে ঠিক করব।। পাখি আস্তে আস্তে রিয়ানের ঘরে গিয়ে ওকে দেখে আরো নিজেকে আটকাতে পারল না। ছুটে গিয়ে ওকে জড়িয়ে ধরল কিন্তু,,,, এই রিয়ান তো আর সেই রিয়ান নেই।। সেটা কি নিজের থেকে ধাক্কা দিয়ে মেঝেতে ফেলে দিল পাখির মাথায় দরজাতে ধাক্কা লাগলো অনেকটাই লেগেছিল।।। কিন্তু সেদিকে রিয়ানের নজর নেই।। ও বলতে থাকলেও যেতে তো সবই জানিস তাও এখনো তোর গায়ে পড়া স্বভাবটা গেল না। আমি তোকে ভালোবাসি না তুই আমার চোখের সামনে আসবি না আমি এখন অন্য একজনকে ভালোবাসি সে যদি জানতে পারে তুই এখানে ও খুব কষ্ট পাবে আর ওর কষ্ট যে আমি দেখতে পাবো না তুই এখান থেকে চলে যাবি তুই আমার চোখের সামনে আসবি না কোথা থেকে এসেছে গায়ে পড়া স্বভাবের মেয়ে। পাখি যেন তখন সবকিছু ভেঙ গেছে ওর মাথা কাজ করছে না যে মানুষটা আগে------

নিজের কষ্টের চাইতে পাখির কষ্টটা ভাগ্য যে পাখির চোখের সামান্য জলের কণাটাও দেখতে পারতো না আর যদি তার কোথাও আঘাত লাগে পাখি থেকে বেশি কষ্ট যেন তার হত। সেই মানুষটাই আজকে নিজেই পাখিকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিল পাখির যে লাগল সেদিকে তার কোন নজরই নেই। তার সেই প্রিয়তমা যে এত কাঁদলো তা সে চোখের দিকেও তা নজর নেই যে চোখেই আদেশে নিজেকে খুঁজে পেতো।

তারপর পাখি কষ্ট পেয়ে নিজের ঘরে চলে গেল সকাল থেকে সন্ধ্যা হয়ে গেছে না নিজের ঘরে দরজা খুলেছে নাকি কিছু খেয়েছি কিন্তু তাও রিয়ানের কোন খেয়াল নেই যে মানুষটা আগে নিজে খাওয়ার আগে পাখির খাবার চিন্তা করত তারা এখন সেই নিয়ে কোন ভাবনাই নেই। তা কি শান্ত হয়ে নিজের খাটের পাশে মাটিতে মাথা থাকিয়ে বসে বেশ কিছুক্ষণ ধরে ভাবতে ভাবতে পড়ে স্মৃতিতে ঢুকে গেল------------

""তুই আবার এক হাত ছেড়ে সাইকেল চালাচ্ছিস তোকে আমি বারবার বারণ করেছি না যে একা ছেড়ে চালাবি না পড়ে গেলে তখন কি হবে শুনি পাখি পাখি তোকে কিন্তু আমি বারবার বারণ করেছি একা ছেড়ে একদম জোরে চালাবি না পড়ে যাবে কিন্তু তারপরে দেখবি আমি কিন্তু তুলতে যাবো না,,, আরে আরে পড়ে যাস না দেখেছিস তো আমি বারণ করেছিলাম আয় আমার হাত ধর ওঠ ।। তুই যে বললি আমাকে তুলবি না তাহলে তুললি কেন পাখির তুই একটু বেশি বকছিস না একতো এক ছিড়ে সাইকেল চালাচ্ছিলিস তারপর আমি তুলেছি আবার বকছিস চুপ করে বস আমাকে ওষুধটা লাগাতে দে।। পাখি মনে মনে ভাবলো কি ছেলেটা আমাকে নিয়ে যা ভাবে হয়তো আর কেউ ভাবে না একটু তো পড়েই গেছে তাতে এত ভাবার কি আছে সত্যিই একটা পাগল ।"

" তুই তো স্কুল থেকে বাড়ি আসিস সাড়ে চারটের সময়। তাহলে আজকে চারটে পঁয়তাল্লিশ এ কি করে সাইকেল নিয়ে বেরোতে পারলি তুই বাড়িতে খেয়েছিস। আরে না আমি না খাইনি তোর সাথে দেখা করব বলে তাড়াতাড়ি চলে এসেছি। কতসব কেন দেখা করার বাড়িতে গিয়ে খেতে পারিস নি। তুই তো জানিস তোর পেটে ব্যথা করে, একটু পরে আসলে কি হতো ভাতটা খেয়ে আসতে পারতিস তো।। পাখি তুই তো আমার থেকে বয়সে বড় কিন্তু এখনো বাচ্চা নিজের খাওয়াটা বন্ধ কে করতে বলেছে যা খেয়ে আয়। না আমি যাব না বাড়ি আসলে আস্তে আস্তে অনেক দেরি হয়ে যাবে আমি প্রমিস করছি যে আমি বাড়ি গিয়ে ভাত খেয়ে নেব প্লিজ এখন থাকতে দে। তোর দুষ্টুমি আর কমবে না একদিন দেখবে পেটে ব্যথায় নড়তে পাচ্ছিস না ।"

"রিয়ান ঈশান কে বলছে তোরা এত বড় সাহস হলো কি করে? যদি পাখির গায়ে হাত তুললি তোর এই হাতটা আমি ভেঙে রেখে দেবো। আরে রিয়ান আমার লাগেনি, ওতো বকার দরকার নেই এদিকে চলে আয় না ওকে আর কত মারবি বলতো চলে আয় এখানে। তারপরে রিয়ান পাখির কথায় ঈশান কে ছেড়ে পাখির কাছে চলে আসলো ঈশান তখন পালিয়ে গেল। কি হলো দেখি কোথায় লেগেছে? তোর তো রক্ত বেরোচ্ছে ,, আরে না না আমার লাগেনি,,, বেশি বকছিস না ক'দিন ধরে দেখতে পাচ্ছি রক্ত বেরোচ্ছে তুই বস আমি এক্ষুনি ওষুধের নিয়ে আসছি।""

হঠাৎ দরজা ধাক্কা দিচ্ছে কেউ পাখি নিজের ভাবনা থেকে বেরিয়ে আসলো চোখের জল মুছে একটু স্বাভাবিক হয়ে দরজা খুলে দেখলো রিয়ান দাঁড়িয়ে কিন্তু সে কিছু বলতে আসেনি। বরঞ্চ পাখিকে একটা জোরে থাপ্পড় মারলো আর বলল যে তুই কি চাস বলতো তোর জন্য মা আমাকে বকছে, কত নাটক করার কি আছে চুপচাপ খেতে পারছিস না তুই খাস না খাস তাতে আমার কিছু যায় আসে না কিন্তু আমাকে তোর জন্য না বাইরে যেতে দিচ্ছে না আমি সাথীর সাথে দেখা করতে পারছি না ।
এখান থেকেই পাখি বুঝতে পারলো যে, যে মেয়েটা এখন তার জায়গা নিয়ে নিয়েছে তার নাম সাথী। সে তখন বাধ্য হয়ে রিয়ানের মুখের ওপর দরজা দিয়ে মাটিতে বসে পড়ল কারণ তার খুব কান্না পাচ্ছিল কিন্তু সে যদি রিয়ানের সামনে কাঁদে সে তাকে আরো অপমান করবে সেই জন্য সে দরজা দিয়ে দিল। তবে কিছু নেই। সেটা সবকিছু হারিয়ে ফেলেছে। ভগবান সুখের সময় গুলো তাড়াতাড়ি কাটিয়ে এরকম একটা সময় যে তাকে উপহার দেবে অভিশাপও বলতে পারি সেটা কখনো আশা করিনি পাখি।

পাখি নিজের ঘরে খাটে শুয়ে রয়েছে কিছু ভাবতেও পারছে না যেন সবকিছু কেমন শূন্য শূন্য লাগছে, হঠাৎ এ চোখ পড়ে ওর আলমারির উপর রাখা একটা ধুলো পড়া খয়রি রঙের বাক্স এর উপর। তখন যেন পুরনো স্মৃতিগুলো আরও পরিষ্কারভাবে জেগে উঠছিল ওর মাথায়। কিন্তু সকাল থেকে প্রায় রাত দেড়টা বাজে কিছু খাওয়া নেই এত কান্নাকাটির পরে শরীরের কোন জোর নেই কিন্তু তাও পুরনো ভালবাসার জোরে ও উঠে দাঁড়িয়ে আলমারির মাথা থেকে বক্সটা পাড়লো বক্সটা খুলতেই যেন হাত কেঁপে উঠল। ওর যেন সারা শরীরে শিহরণ দিল ও তখন কান্নায় ভেঙে পড়ল কাঁদতে কাঁদতে ও একটা কাগজের টুকরো পেল। কাগজ থেকে যেন কিছু একটা মোড়ানো। কাগজটা খুলে ও দেখলে একটা গোলাপ গোলাপটা প্রায় ১৩-১৪ বছরের পুরনো এই গোলাপটাও পেয়েছিল কোন এক বছরের জুলাইয়ের তিন তারিখে যেদিন রিয়ান নিজে ওকে হাটু গেড়ে বসে বলেছিলেন আমি তোমাকে ভালোবাসি। গোলাপটা আজকে শুকনো হতে হতে প্রায় গুড়ো হতে চলল। তাও তার মধ্যে সেই মধুর গন্ধটা এখনো গেল না যে গন্ধটা শুধু পাখিই পায়। আরো সে খুঁজে পেলে সেই পুরনো কানের যেটা এখনো পড়তে পারিনি সে চকলেটের খালি প্যাকেট আরো বেশ কয়েকটা চিঠি আরো অনেক ফুল তার মধ্যেই হঠাৎ তার চোখে পড়লে একটা ভীষণ কুঁচকানো আর অনেক পুরনো একটা কাগজের উপর যেটার অবস্থা বেশ ভালো নেই। কিন্তু দেখেই বোঝা যাচ্ছে অতিরিক্ত যত্নে দেখার কারণে অনেক বছর থেকেছে।। কাগজটা খুলতেই পাখি সব কিছু যেন কেমন একটা ঝড় বয়ে গেল চিঠিটাতে লেখা----------

"" নদীর জল শুকিয়ে গেলে   
                    থাকবে শুধু বালি,,,  
         তুমি আমাকে ভুলে গেলেও   
                 ভুলবো না তো আমি।  
         এই হৃদয়ে লেখা আছে                                                                                
                শুধু তোমারই নাম।   
       আমি তোমাকে ভালবাসি   
            I love you my jaan."

চিঠিটা পড়ে তার সব পুরনো স্মৃতি অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় 14 বছর আগের কথা মনে পড়ে গেল এক রবিবার ১৯ এপ্রিল এই দিনে প্রথম রিয়ান মনের কথা বলেছিল পাখিকে এই চিঠিটির মাধ্যমে তার আগে তাদের মধ্যে অনেক বড় ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল তাকে তো ভেবেছিল সব শেষ হয়ে যাবে আর কিছু থাকবে না কিন্তু সেই দিনে সে এত খুশি হয়েছিল যে চিঠিটা পড়তে পড়তে সে কেঁদে ফেলেছিল আনন্দে। পড়তে পড়তে সে এতটাই খুশি হয়ে গিয়েছিলিস হাসতে হাসতে বসে পড়েছিল কিন্তু আছি আনন্দ আছি হাসি কোথায় যেন মিলিয়ে গেছে সে আনন্দে সেই হাসি যেন আর অচেনা।

কিন্তু কি বলতো মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়লে শরীরে ও তার প্রভাব পড়ে। সারাদিন এত দুর্বলতা এত কষ্ট এত ভাবনার মাঝে তার শরীর অনেক ক্লান্ত আর নিজেকে আটকে না রাখতে পেরে চিঠিটা বুকে ধরেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেল পাখি একটা গোটা রাত কেটে গেল। তারপরের দিন বেলা প্রায় সাড়ে বারোটা বাজে। সারা বাড়িতে হাগ উঠে গেছে যে মেয়ে সকাল পাঁচটার আগে ঘুম থেকে উঠে যায় সে এখনো ঘুমাচ্ছে রিয়ান সকাল প্রায় সাড়ে সাতটায় ওঠে। সাতটার সময় অনেক হাত পড়ে গেছিল কারণ প্রায় দু-তিন ঘন্টা হয়ে গেছে। কোন সাড়াশব্দ নেই। পাখির। তখন ভাবলো রিয়ান যে ও এখনো ওঠেনি ওটা হতে পারে তাতে আমার কিন্তু বারবার তার মাথায় জানাই একটাই ভাবনার কথা আজকে থাকলো সেদিন সে আর কলেজে যায়নি তারও প্রচন্ড টেনশন হচ্ছে। সে নিজেকে আটকে না রাখতে পেরে তখন প্রায় ১২:৩৫ তখন সে সবার সাথে মিলে পাখির ঘরে দরজায় ধাক্কা দিতে লাগলো জোরে ধাক্কা দেওয়ার কারণে দরজা খুলে গেল রিয়ানের মা আর পাখির মা দুজনে দেখলে রিয়ান ঘেমে অস্থির হয়ে গেছে তাকে দেখে মনে হচ্ছে তার হৃদয়ে কোথায় যেন একটা লুকিয়ে থাকা প্রাণ হারিয়ে গেছে সে শেষ হয়ে গেছে। দুই মা ভাবলেও এবার হয়তো সব ঠিক হয়ে যাবে। রিয়ান দেখলেও পাখি মেঝেতে শুয়ে আছে তার মা পাখির মাকে নিয়ে বাইরে চলে গেল। রিয়ান তার হাতে থাকা একটা কাগজের টুকরো দেখতে পেল। সেটা নিয়ে এসে পড়ে সেও সবটা মনে করল তারপরে একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস রইল তারপর এসে পড়ে থাকা পাখিকে তুললো খাটে শুয়ে তার জ্ঞান ফেরার অপেক্ষা করতে লাগলো কারণ পাখির সাথে এরকম খারাপ ব্যবহার করার পরে তারও রাতে ঘুম হয়নি সেই কারণে সে পাখির পাশে ঘুমিয়ে পড়ল পাখির জ্ঞান আসার পর সে দেখলেও তার পাশে রিয়ার মাথা নিচে করে তার কোলে শুয়ে আছে সে ভাবনা হয়তো সব ঠিক হয়ে গেছে। রিয়ানের মাথায় সে হাত বুলালো হঠাৎ রিয়ান উঠে বলল তোর সাহস হয় কি করে আমার গায়ে হাত দেওয়ার চুপচাপ এখানে বসে থাক আর আমার দিকে তো চোখ তুলে তাকাবি না। এই বলেছিস সেখান থেকে চলে আসলো পাখি আবারও ভাবল যে এসব কি হচ্ছে আমার সাথে? আমি যে আর পারছি না। দুই মা আবার হতাশ হয়ে গেল কিন্তু সেখানে দুজনেই বুঝতে পারছিল অর্থাৎ দুজন মাই বুঝতে পারছিলো যে যত যাই হয়ে যাক সত্যি কারের ভালোবাসা কখনো মোহ হয়ে যায় না দূরত্ব বেড়েছে বলেই হয়তো এমন হচ্ছে আমার সব ঠিক হয়ে যাবে কারণ যদি সত্যিই না ভালবাসত তাহলে পাখি দরজা খুলেছে না বলে ওর এত অসুবিধা কেন হতো সবাই আবার অপেক্ষা করতে লাগলো।। রিয়ান বিরক্ত হয়ে বাড়ির বাইরে চলে গেল কিন্তু সে বাড়ির বাইরে গিয়ে ঠিক যেন বিরক্তি ফিল করছিল না তার মনে হচ্ছিল যেন কত বড় একটা পাথর তার হৃদয়ের উপর দিয়ে সরে গেছে সে আবারও ভাবতে লাগলো আমি তখন পাখিকে ভালোবাসি না তাহলে ওকে নিয়ে আমার এত চিন্তা কেন হচ্ছিল যখন ওর দরজা খুলছিল না আমার মনে হচ্ছিল কেন যে আমার প্রাণ পাখিটা কোথায় যেন চলে গেছে আমি তোর সাথীকে ভালোবাসি আমার পাখিকে নিয়ে এত চিন্তা কেন হচ্ছিল যাই হোক যত যাই হোক যাক আমি পাখিকে ভালোবাসি না আমি ওকে বিয়ে করব না আমি সাথীকেই বিয়ে করবো। আই লাভ ইউ সাথী। 




কিন্তু ভালোবাসা ভুলে যাওয়া কি সত্যি এতই সহজ দেখা যাবে না কি করে ভুলতে পারো তুমি আমার ভালোবাসা।